মহিলা হোস্টেলের ১০ অজানা কথা

লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মহিলা হেস্টেল, এটা এমন এক ঠিকানা যেখানে স্বাধীনতা, মজা আর ফ্যাশনের সকল বিষয়ই তৈরি হয়৷ পরিবারের আড়ালে থাকার কারণে এমন অনেক কাজ করতে দেখা যায় যে বিষয়গুলোতে পরিবারের অপত্তি থাকেতে পারে। জেনে নিন গার্লস হোস্টেলের ১০টি অজানা কথা৷

১. সেলফি টাইম: গার্লস হোস্টেলে থাকা মেয়েদের সবচেয়ে ভাল টাইমপাস হল সেলফি তোলা৷ কখনও একার বা কখনও সকলে মিলে গ্রুফিং তোলাই তাদের বেশি পছন্দ। আর এই ভাবেই কেঁটে যায় তাদের অবসর সময়৷

২. সম্পর্কের রসায়ন: বাড়ি ঘর ছেড়ে একা থাকতে আসা মেয়েদের সবচেয়ে ভরসার মানুষ হয়ে ওঠে তার রুমমেট৷ এই রুমমেটরাই তখন মেয়েটির ভালো বন্ধু হয়ে ওঠে৷ নতুন প্রেম বা প্রেমে ভাঙন সববিষয়েই রুমমেটরা জ্ঞান দিয়ে থাকেন৷

৩. এক্সারসাইজ সেশন: হোস্টেলে বসেই মেয়েরা একে অপরকে নিয়ে পিএনপিসিতে মেতে ওঠেন৷ কে মোটা কে রোগা এই নিয়ে তাদের অলোচনা হয় দীর্ঘখন৷ এবার কেউ যদি বলে এক্সারসাইজ করা জরুরী তাহলে আর কথা নেই৷ গোটা হোস্টেল তখন যোগ গুরু হয়ে ওঠে৷ কিন্তু সবচেয়ে মজার বিষয় হল এক সাপ্তাহের মধ্যেই শরীর চর্চা কেবল কথাতেই থেকে যায়৷

৪. পছন্দ নয় হোস্টেলের খাবার: প্রতিদিন গার্লস হোস্টেলের ভেতরে ন্যাশনাল ইস্যু হয়ে ওঠে খাবারের বিষয়৷ কখনও ডালে লবন বেশি তো কখনও আধ সেদ্ধ চাল নিয়েই চলে তাদের তর্ক৷

৫. ফোনালাপ: হোস্টেলের প্রতিটা কোণে একটা দৃশ্য একেবারে কমন৷ হোস্টেলের বারান্দায় অথবা কোণাগুলোতে প্রায়ই একজনকে দেখা যাবে ফোনে কথা বলতে৷ তবে তা অবশ্যই দু-চার মিনিটের ব্যাপার নয়৷ রাত গড়িয়ে সকাল হয়ে গেলেও তাদের কথা শেষ হওয়ার নয়৷

৬. অনলাইন শপিং: হোস্টেলে থাকা মেয়েরা যে কি পরিমাণে অনলাইন শপিং করেন তা কল্পনার অতীত৷ কেউ একজন যদি ভুল করেও বলেন যে অমুক সাইটে জুতোয় ছাড় দিচ্ছে, ব্যস সকলে মিলে ল্যাপটপ বা মোবাইলে বুকিং শুরু করে দেবেন৷

৭. পোষাক বদল: প্রতিদিনই মেয়েরা তার আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে অন্তত ১০ মিনিট ভাবেন আজ কি পড়ব? ফাইনালি যখন কিছুই পছন্দ মতো হয় না তখন নিজের আলমারি ছেড়ে তার বান্ধবীর আলমারীতে উঁকি মারা শুরু করেন৷ শুরু হয় পোষাক আদান-প্রদান৷

৮. ঘরসজ্জা: হোস্টেলের ঘর কেউ কেউ এমন ভাবে সাজান তাতে দেখলে মনে হবে তারা সারাজীবন ওই ঘরেই থাকবেন৷ আর ঘর সাজানোর সবচেয়ে সাধারণ বস্তু হল পরিবার আর বন্ধুদের সঙ্গে তোলা বিভিন্ন কায়দার ছবি৷

৯. সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতা: সবাই হয়ত বিশ্বসুন্দরীর খেতাব পাননি কিন্তু হোস্টেলের মেয়েরা সকলেই নিজেকে ঐশ্বরিয়া রাই মনে করেন৷ হোস্টেলের সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য হল নাচ আর মডেলিং সেশন, যেটা শুরু হয় রাতে খাওয়ার পর৷ সেই দৃশ্য দেখে যেকােন লোক হাঁ করে তাকিয়ে থাকতে পারেন৷

১০. ক্যাট ফাইট: হোস্টেলে যে সবাই সবার বন্ধু এমনটা ভাবা একেবারেই ভুল৷ সেক্ষেত্রে কারোর মধ্যে একবার ঝগড়া লাগলে সে জল অনেক দূর অবধি গড়ায়৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *